Facts of Indian Rivers - 'Ganga'-InteresT EducatioN | www.interesteducation.in


ভারতের নদ-নদী



ভারত একটি নদীবহুল প্রাচীন দেশ অসংখ্য ছোট-বড় নদী এই দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এই নদীকে কেন্দ্র করেই ভারতের অসংখ্য জনপদ সভ্যতা শিল্প কৃষি পরিবহন ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছে ভারতের আছে 14 টি প্রধান নদী উপত্যকা ও 44 টি মাঝারি নদী উপত্যকা ভারতের নদী গুলির জলের পরিমাণ অনুমান করা হয় প্রায় 16 হাজার 450 কোটি বর্গ ঘনমিটার। আমরা আপনাকে জানাব শুধুমাত্র উত্তর ভারতের নদনদী


উত্তর ভারতের নদনদী



উত্তর ভারতের নদনদী গুলি বয়সে নবীন এবং হিমালয় পর্বত উত্থানের পর এদের সৃষ্টি। এদের মোট জলের 70% থেকে পড়ে। উত্তর ভারতের প্রধান নদী হল সিন্ধু গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ভারতের নদী গুলির মধ্যে প্রায় 100 পার্সেন্ট গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বহন করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক উত্তর ভারতের নদ নদী গুলির সম্পর্কে ।



  • সিন্ধু নদ উপনদী [২৮৮০ কি.মি. ভারতে ৭০৯ কি.মি.]


https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


সিন্ধু নদ তিব্বতের মানস সরোবরের 100 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত (sengge khabab) সিংহমুখ থেকে উৎপন্ন হয় তিব্বতের আড়াইশো কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে উত্তর দিকে ঘুরে জম্মু-কাশ্মীর প্রবেশ করেছে 709 কিলোমিটার পথ চলার পর পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে আরব সাগরে মধ্যে পড়েছে। সিন্দুর কেবলমাত্র পার্বত্য অংশ ভারতের অন্তর্গত ।
সিন্দুর কিছু উপনদী গুলি হল


উপনদী

https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


শতদ্রু (শতলজ), বিপাশা (বিয়াস), ইরাবতী (রাভি), চন্দ্রভাগা (চুনাভ), বিতস্তা (ঝিলাম) - পাঞ্জাবের পাঁচটি হল সিন্দুর বা দিকের প্রধান উপনদী ও এর ডান তীরের উপনদী।


  • গঙ্গা ও তার উপনদী [২,৫১০কি.মি. ভারতে ২,০৭১কি.মি.]

https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


গঙ্গা ভারতের প্রধান দীর্ঘতম নদী ও ভারতের জনজীবনের উৎস হলো গঙ্গা । ভারতীয়রা গঙ্গাকে দেবী হিসেবে পুজো করে থাকেন । গঙ্গা কে আদর্শ নদী ও বলা হয়ে থাকে তার কারণ হলো গঙ্গার উচ্চগতি মধ্যগতি ও নিম্ন গতি দেখা যায় বলে।
চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক ভারতে গঙ্গার গতিধারা গুলি।


গঙ্গার গতিধারা

https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


ভাগীরথী নদী কুমায়ুন হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহের গোমুখ গুহা থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং অলকানন্দা বদ্রীনাথের এর নিকটবর্তী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়ে  রুদ্রপ্রয়াগের কাছে মন্দাকিনী নদীর সঙ্গে মিশেছে। এই মিলিত শ্রুতি দেবপ্রয়াগভাগীরথীর সঙ্গে মিশেছে ।


   ১. গঙ্গার উচ্চ গতি


ভাগীরথী, অলকানন্দা ও মন্দাকিনী এই তিনটি নদীর মিলিত স্রোত গঙ্গা নদী নামে পরিচিত। গঙ্গার উচ্চ গতি গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে হরিদ্দার পর্যন্ত প্রায় 320 কিলোমিটার বিস্তৃত ।

   ২. গঙ্গার মধ্য গতি


হরিদ্বার থেকে পশ্চিমবঙ্গের ধুলিয়ান পর্যন্ত গঙ্গার মধ্যগতি লক্ষ্য করা যায়। এবং মধ্য গতিতে আমরা গঙ্গার কিছু উপনদী ও লক্ষ্য করি
রামগঙ্গা, গোমতী, ঘর্ঘরা (১০৮০কি.মি.) গণ্ডক, (৪১৫কি.মি.), বুড়িগণ্ডক (৬১০কি.মি.), কুশি (৭৩০কি.মি.) প্রভৃতি হলো গঙ্গার নদীর বাম তীরের প্রধান উপনদী
যমুনা ও শোন হল গঙ্গার ডান তীরের প্রধান উপনদী
 গঙ্গার উপনদী গুলির মধ্যে যমুনা হল সব থেকে শ্রেষ্ঠ নদী ।
যমুনার দৈর্ঘ্য প্রায় 1300 কিলোমিটার। আপনারা হয়তো জানেন না যে যমুনার উপনদী রয়েছে । চম্বল, সিন্ধু, বেথুয়া ও কেন হল যমুনার উপনদী।

https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


   ৩. গঙ্গার নিম্ন গতি

পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার গিরি আর কাছে গঙ্গা নদী দুটি শাখায় বিভক্ত হয়েছে ভাগীরথী ও পদ্মা নামে ।


       ১.ভাগীরথী

ভাগীরথী পশ্চিমবঙ্গের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে যাকে আমরা হুগলি নদী নামে চিনি এবং এরপর গঙ্গা বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
এবং এর মধ্যে ভাগীরথীর কিছু ডান তীরের উপনদী গুলো লক্ষ্য করা যায় তা হল যথাক্রমে ব্রাহ্মণী, তারকা, ময়ূরাক্ষী, অজয়, দামোদর, রূপনারায়ন, কংসাবতী ও রসুলপুর প্রধান।
এবং ভাগীরথীর বাম তীরের উপনদী গুলি হল জলঙ্গি, চূর্ণী, ইচ্ছামতী ইত্যাদি।


       2.পদ্মা

গঙ্গার অপর শাখাটি বাংলাদেশে পদ্মা নদী নামে জানা যায় যেটি পতিত হয়েছে বঙ্গোপসাগরেভাগীরথী-হুগলি ও পদ্মার মধ্যবর্তী ব-দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম ও অধিকাংশই বাংলাদেশের অন্তর্গত।



  • ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার উপনদী [২৯০০কি.মি. ভারতে ৮৮৫কি.মি.]

https://www.interesteducation.in/2019/01/facts-of-indian-rivers-ganga-interest.html?m=1


 ব্রহ্মপুত্র নদ সম্পর্কে আলোচনা করার আগে আমাদের কিছু জেনে রাখা ভালো।


ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতে সাংপো, চীনের মানচিত্রে এর নাম ইয়ারলাং জাংবো জিয়ান, অরুণাচল প্রদেশ ডিহং নামে পরিচিত। অসমের সাদিয়ার নিকট ও নদীর মিলিত প্রবাহ হল ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশের পর এর নাম হয়েছে যমুনা গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডআমেরিকা জিওগ্রাফি কমিটি একত্রে দাবি জানায় নামচা-বারোয়া সাংপোতেই (ব্রহ্মপুত্র) পৃথিবীর বৃহত্তম গিরিখাত 496 কিমি দীর্ঘ ও ঘরে 5000 মিটার গভীর অবস্থিত।
 আনন্দবাজার পত্রিকা [10-06-2009]।



তিব্বতের রাক্ষসতালের মানস সরোবরের প্রায় 90 কিঃমিঃ দক্ষিণ-পূর্বে চেমায়ুংদুং নামক হিমবাহ থেকে ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি ঘটেছে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রথম এর মানচিত্রে নাম জানবো যে নামে তিব্বত মালভূমি উপর দিয়ে পূর্ব দিকে প্রায় 15 কিমি পথ প্রবাহিত হয়ে অরুণাচল প্রদেশের নামচাবারোয়া শৃঙ্গ এর কাছে দক্ষিণ-পশ্চিমে বাঁক নিয়ে নাম ধারণ করে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ এ প্রবেশ করেছে। সাদিয়ার কাছে দিয়ে প্রবেশ করেছে সাদিয়ার কাছে ও লোহিত নদী এসে এর সাথে মিশেছে ।

 দিহাং দিবাং ও লোহিত নদীর মিলিত প্রবাহ সাদিয়া থেকে ধুবরি পর্যন্ত প্রায় 750 কিমি কিমি ব্রহ্মপুত্র নামে প্রবাহিত হয়ে যমুনা নাম নিয়ে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে ব্রহ্মপুত্র নদে বহু সৃষ্টি হয়েছে এই নদীগর্ভে সৃষ্ট মাজুলী দ্বীপ পৃথিবীর বৃহত্তম নদী গর্ভস্থ চর এর ক্ষেত্রফল প্রায় 929 বর্গ কিমি।
এর কিছু ডান তীরের উপনদী হল সুবর্ণসিরি, কামেং, মানস, সংকোশ তিস্তা এবং বাম তীরের উপনদী গুলি হল বুড়ি-দিহং, দিসাং, কপিলী, ধানসিঁড়ি প্রভৃতি।



  • উপসংহার

আমি আজ আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম এরপরেও আপনি জানতে পারবেন দক্ষিণ ভারতের কিছু নদনদী এর পরবর্তী পোস্টে আপনি দেখতে পাবেন উত্তর ভারতের নদনদী আপনি কমেন্ট করতে পারেন আপনার কেমন লাগলো এছাড়াও আপনি শেয়ার করতে পারেন আপনাদের বন্ধুদের সাথে এবং অবশ্যই ফলো ও কমেন্ট করবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post